প্রাচীন চীনা দার্শনিক ও লেখক লাও-ত-সু তার বিখ্যাত বই “তাও তে চিং” এ লিখেছেন, “সরলতা, ধৈর্য ও সহানুভূতি, এই তিনটি আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ। চিন্তা ও কাজে সহজ হয়ে, আপন সত্ত্বার উৎসে ফিরে যান। বন্ধু এবং শত্রু উভয়ের প্রতি ধৈর্যশীল হয়ে, যে যেমন তাকে সে ভাবে গ্রহণ করুন। নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল আর পৃথিবীর সকল প্রাণীর সঙ্গে একাত্ব হউন।” জলের ধারায় কঠিন পাথরও কেটে যায়। সারল্য এমনই শক্তিশালী গুণ। সফল হতে জলের মতো সরল হওয়া চাই।
ধৈর্য এমনই এক গুণ, যেখানে ব্যর্থতার কোনো স্থান নেই। ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে যে কোনো ক্ষেত্রে সফল হওয়া সম্ভব। এডিসন প্রায় দশ হাজার বার ব্যর্থ হওয়ার পর বিদ্যুৎ বাতি আবিষ্কার করেন। ধৈর্যের এর থেকে বড় উদাহরণ আর হয় না। ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে সাফল্য সুনিশ্চিত।
সহানুভূতিশীলতা এক স্বাভাবিক প্রাকৃতিক গুণ। এ নিয়মেই প্রকৃতি বিকশিত হয়ে চলেছে। গাছ ও মানুষের জীবন যেমন অজান্তেই একে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল। এমনিভাবে প্রকৃতির সব কিছু সহানুভূতির আইনে বেড়ে উঠছে ও এগিয়ে চলেছে। সৃষ্ঠির প্রতিটি অংশ একে অন্যের উপর নির্ভরশীল ও একে অন্যের লক্ষ্য অর্জনে সহযোগীর ভূমিকা পালন করছে। তাই অন্যদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছুতে সাহায্য করার মাধ্যমে, নিজের লক্ষ্যে বা সাফল্যে পৌঁছুনো নিশ্চিত করার সহজ ও প্রাকৃতিক উপায়। নিজেকে এই বলে প্রেরণা দিন যে-
আমি চিন্তা ও কর্মে সহজ। ধৈর্যশীলতা আমার চরিত্রের একটি অন্যতম প্রধান গুণ। আমি নিজের ও সবার প্রতি সহানুভূতিশীল। আমি অন্যদের তাদের লক্ষ্যে পৌঁছুতে সাহায্য করার মাধ্যমে, নিজেকে সবার সাহায্য পাওয়ার যোগ্য করে তুলি।
দিনের মূলভাব হিসেবে সরলতা, ধৈর্য ও সহানুভূতি শব্দ তিনটিকে চেতনায় গ্রহণ করে টি-শার্টটি পরিধান করুন। এটি সারাদিন আপনাকে সরলতা, ধৈর্য ও সহানুভূতির সহজ ধারায় লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যেতে প্রেরণা ও উৎসাহ যোগাবে এবং এ গুণগুলো ধীরে ধীরে আপনার মন ও মস্তিষ্কে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেবে। বার বার আপনাকে মনে করিয়ে দেবে, মনে রাখার প্রচেষ্টা ছাড়াই।

ধৈয্য মানুষকে সহনশীল করে। সরলতা সহানভুতি জানাতে সহায়ক হয়।সরলতা মানুষের একটি গুণ। এটা মানুষের মধ্যে খুবই কম থাকে।